বাংলাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে মোবাইল ভার্চুয়াল
নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমভিএনও) লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সেবাটি পরিচালনায় লাইসেন্স দিতে
নীতিমালা তৈরি করছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে লাইসেনি্সং নীতিমালা তৈরিতে কমিটি
গঠন করা হয়েছে।
নিজস্ব নেটওয়ার্ক স্থাপন না করেই টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে পারে এমভিএনও
লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান। এক্ষেত্রে এক বা একাধিক সেলফোন অপারেটরের কাছ
থেকে পাইকারি মূল্যে বিভিন্ন সেবা কিনে তা নিজস্ব বিপণন ব্যবস্থার মাধ্যমে
গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে এমভিএনও। লাইসেনে্সর ধরন অনুযায়ী ভয়েস ও
ডাটাভিত্তিক সব ধরনের সেবাদানের সুযোগ পেয়ে থাকে তারা। বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সেবা নেওয়ার কারণে এমভিএনওর মাধ্যমে গ্রাহকও প্রয়োজন
অনুযায়ী মানসম্পন্ন সেবা পেতে পারেন। জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে
দেশে পরীক্ষামূলকভাবে এমভিএনও লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়
বিটিআরসি। এর পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেনি্সং নীতিমালা তৈরির জন্য গত মাসের
মাঝামাঝি ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশেষণ করে নীতিমালার খসড়া তৈরি করবে
কমিটি। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যানকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিকে ৩০
কার্যদিবসের মধ্যে নীতিমালার খসড়া জমা দিতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে
বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, দেশে পরীক্ষামূলকভাবে এমভিএনও সেবা
চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। এটি চূড়ান্ত হলে
পরীক্ষামূলকভাবে সেবাদানের অনুমতি দেওয়া হবে। টেলিযোগাযোগ সেবার মানোন্নয়নে
এমভিএনও ভূমিকা রাখতে পারে। সেবা ও ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে বিশ্বে চার
ধরনের এমভিএনও কার্যক্রম চালু রয়েছে। এগুলো হল-ব্র্যান্ডেড রিসেলার বা
স্কিনি এমভিএনও, সার্ভিস প্রোভাইডার বা লাইট এমভিএনও, এনহ্যান্সড সার্ভিস
প্রোভাইডার বা থিক এমভিএনও এবং সম্পূর্ণ এমভিএনও সেবা। ব্র্যান্ডেড
রিসেলারগুলো মূল নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
এ ধরনের এমভিএনও মূল প্রতিষ্ঠানের সেবাই নিজেদের বিপণন ব্যবস্থার মাধ্যমে
গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছে দেয়। ব্র্যান্ডেড রিসেলার শুধু নিজস্ব গ্রাহক সেবা,
বিপণন ও বিক্রয় কার্যক্রমে বিনিয়োগ করে থাকে। সার্ভিস প্রোভাইডার বা লাইট
এমভিএনও নিজস্ব গ্রাহক সেবা, বিপণন ও বিক্রির কার্যক্রমে বিনিয়োগ ছাড়াও
নিজেরাই সেবার ট্যারিফ নির্ধারণ করতে পারে।
Showing posts with label Tech News. Show all posts
Showing posts with label Tech News. Show all posts
Tuesday, October 3, 2017
চালু হচ্ছে মোবাইল ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক
Monday, October 2, 2017
বাজারে ভিভিটেকের নতুন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
অনলাইন ডেস্ক : তাইওয়ানের ব্র্যান্ড
ভিভিটেকের সর্ম্পুণ নতুন চারটি মাল্টিমিডিয়া এবং দু’টি র্শট থ্রো মডেলের
প্রজেক্টর বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। মাল্টিমিডিয়া ও
র্শট থ্রো মডেলগুলো হচ্ছে-বিএস ৫৬৪, বিএক্স ৫৬৫, বিডাব্লিউ ৫৬৬ ,
বিডাব্লিউ ২৬৫ এবং ডিএক্স ২৮১ এসটি ও ডিডাব্লিউ ২৮২ এসটি।
অত্যাধুনিক ডিজাইনের প্রজেক্টরগুলোতে রয়েছে মাল্টিমিডিয়া কাজের সুবির্ধাথে
নতুন ও আধুনিক ফিচারসমূহ। এক বছরের ল্যাম্প এবং দুই বছরের ওয়ারেন্টিসহ
প্রজেক্টর ক্রয় করতে বা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: ০১৯৭৭৪৭৬৪৫৯
গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলা ভাষা
জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের অ্যাড নেটওয়ার্ক
‘গুগল অ্যাডসেন্সে’ বাংলা ভাষা সংযুক্ত করা হয়েছে। গুগল ব্লগ জানিয়েছে, ২৬
সেপ্টেম্বর গুগল নেটওয়ার্কে বাংলা ভাষা সংযুক্ত করা হয়।
২০০৩ সালে চালু হয় গুগল অ্যাডসেন্স। কিন্ত দাবি থাকলেও এতদিন ধরে
অ্যাডসেন্সে বাংলা ভাষা যুক্ত করা হয়নি। ফলে গুগল বিজ্ঞাপন থেকে সুবিধার
দিক থেকে প্রথম থেকেই পিছিয়ে ছিল বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটগুলো। গুগল ব্লগে
অ্যাডসেন্স টিমের এক পোস্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের কোটি
মানুষের ভাষা বাংলাকে অ্যাডসেন্স পরিবারের সঙ্গে যুক্ত করা হলো।
এতে বলা হয়, গত কয়েক বছরে বাংলা ভাষার কনটেন্টের প্রতি মানুষের আগ্রহ
বৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে সহজেই কনটেন্ট থেকে নগদ অর্থ
উপার্জনের সুযোগ থাকে। ফলে বাংলা ভাষায় অ্যাডসেন্স বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে
সহজে বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে বিজ্ঞাপনদাতাদের সহায়তা করবে।
বাংলাভাষী ওয়েবসাইটে অ্যাডসেন্স যুক্ত করার জন্য গুগল অ্যাডসেন্সের
অ্যাকাউন্ট করে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
গুগল অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অনুমতি দিয়ে থাকে।
মূলত অ্যাডসেন্স হল—গুগলের লভ্যাংশ-অংশীদারী বিজ্ঞাপন প্রকল্প। যার
মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল
নির্ধারিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বর্তমানে
বিশ্বের প্রায় দেড় কোটি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০১৫
সালেই প্রতিষ্ঠানটি গুগল অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার
পেমেন্ট দিয়েছে, যা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়ে চলেছে।
বাংলার পাশাপাশি নতুন যোগ করা ভাষার মধ্যে উর্দু, নেপালি, তেলেগু, মারাঠি,
তামিলসহ বিভিন্ন প্রাচীন ভাষা রয়েছে। নতুন ৩০টি ভাষা যুক্ত হওয়ায় গুগলের
ভয়েস সার্চ সুবিধাটি বিশ্বের মোট ১১৯টি ভাষাভাষীর মানুষ ব্যবহার করতে
পারবেন। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://adsense.googleblog.com/
Subscribe to:
Posts (Atom)


